এবার আনুষ্ঠানিকভাবে NCPI-তে যোগ দিলেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল কংগ্রেসের বিদ্রোহী সাংসদদের সঙ্গে তিনিও নতুন রাজনৈতিক শিবিরে নাম লেখালেন। তবে দলবদলের পরেও তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি নিজের শ্রদ্ধা ও সম্মান অটুট থাকবে বলেই স্পষ্ট জানিয়েছেন হুগলির সাংসদ।
সূত্রের খবর, তৃণমূলের ২০ জন সাংসদ বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন। যোগ দিয়েছেন ত্রিপুরার রাজনৈতিক দল, NDA-র বন্ধু NCPI-তে। সেই তালিকায় রয়েছেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। দলবদলের সিদ্ধান্ত নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হলেও, ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও রাজনৈতিক সৌজন্যের প্রশ্নে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন তিনি।
ভবানীপুরে শুভেন্দুর জয় নিয়ে এবার চরম সংঘাতের পথে ‘দিদি’
রচনার বক্তব্য, রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত আলাদা হতে পারে, কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছ থেকে তিনি যে সুযোগ ও স্নেহ পেয়েছেন, তার জন্য তাঁর প্রতি সম্মান সবসময় থাকবে। এই মন্তব্যের পর রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, নতুন দলে যোগ দিলেও তৃণমূল নেতৃত্বের সঙ্গে সম্পর্ক পুরোপুরি তিক্ত করতে চাইছেন না অভিনেত্রী-সাংসদ।
সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে রচনা সরাসরি বলেন, “চিঠিতে সই করা বাকি ছিল। সই করতে এসেছিলাম।” মমতার বিরুদ্ধে কেন এই বিদ্রোহ জানতে চাইলে বলেন, “ওঁর বিরুদ্ধে কখনও বিদ্রোহ করতেই পারি না। দিদির সঙ্গে অনেক বছরের পুরনো সম্পর্ক। তৃণমূলের প্রতীকই উনি। যাঁর চেহারা মানুষ দেখেন, তা ওঁর। দিদিকে আমরা অসম্ভব শ্রদ্ধা করি। দিদিকে দেখে ভোট হয়েছে। ভোট দেওয়া হয়েছে রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়কে, যাতে আমি ওই কেন্দ্রে কাজ করতে পারি। কাজে বাধা সৃষ্টি করা হয়েছিল। যা কাজ করা উচিত ছিল, সেই কাজ করতে পারছিলাম না।”

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন