Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

শান্তনুর সিন্ডিকেটে খাকি উর্দির যোগ? এবার ইডি-র নজরে কলকাতা পুলিশের ৩ অফিসার, তলব সোনা পাপ্পুর পরিবারকেও!

শান্তনুর সিন্ডিকেটে খাকি উর্দির যোগ? এবার ইডি-র নজরে কলকাতা পুলিশের ৩ অফিসার, তলব সোনা পাপ্পুর পরিবারকেও!
ছবি সংগৃহীত

কলকাতা: বালি বালি পাচার এবং কোটি কোটি টাকার তোলাবাজি কাণ্ডে ধৃত কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন ডিসি শান্তনু সিংহ বিশ্বাসের গ্রেপ্তারি এবার খোদ পুলিশ মহলেই তীব্র কম্পন তৈরি করল। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি-র আতশকাচের নিচে এবার চলে এলেন শান্তনু-ঘনিষ্ঠ কলকাতা পুলিশেরই একাধিক প্রভাবশালী অফিসার। সূত্রের খবর, প্রাক্তন ডিসি-র ডানহাত হিসেবে পরিচিত দক্ষিণ কলকাতায় কর্মরত এক সাব-ইনস্পেক্টর-সহ মোট তিন জন পুলিশ অফিসারকে ইতিমধ্যেই নোটিস পাঠিয়ে তলব করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। শুধু খাকি উর্দিধারীরাই নন, এই চক্রের শিকড় খুঁজতে কসবার কুখ্যাত ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পুর পরিবারের সদস্যদেরও চলতি সপ্তাহেই সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরার কড়া নির্দেশ দিয়েছে ইডি।


দক্ষিণ কলকাতার বালিগঞ্জের বাসিন্দা সোনা পাপ্পুর বিরুদ্ধে জমি দখল, বেআইনি অস্ত্র এবং তোলাবাজির ভূরি ভূরি অভিযোগ ছিল, যার আর্থিক লেনদেনের সূত্র ধরেই তদন্তে নামে ইডি। এই মামলার তদন্তে নেমেই প্রথমে বেহালার ব্যবসায়ী জয় কামদারকে গ্রেপ্তার করেন আধিকারিকরা। জয়ের বয়ান সূত্র ধরেই গত এপ্রিলে কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি তথা প্রাক্তন ডিসি শান্তনু সিংহ বিশ্বাসের ফার্ন রোডের বিলাসবহুল বাড়িতে ম্যারাথন তল্লাশি চালায় ইডি। কয়েকবার হাজিরা এড়িয়ে লুক আউট সার্কুলার জারি হওয়ার পর অবশেষে শান্তনুকে গ্রেপ্তার করে কেন্দ্রীয় সংস্থা। তবে অধরা পাপ্পু গত মাসে আচমকাই স্ত্রীকে সাথে নিয়ে ইডি দফতরে আত্মসমর্পণ করতে গেলে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকেও হেফাজতে নেওয়া হয়। বর্তমানে শান্তনু, পাপ্পু এবং জয়—তিনজনই গরাদের ওপাড়ে দিন কাটাচ্ছেন।


তদন্তকারীদের দাবি, কসবার ওই ডেরায় তল্লাশি চালানোর সময় সোনা পাপ্পুর বাড়ি থেকে একটি আধুনিক সেভেন এমএম পিস্তল উদ্ধার হয়েছিল। পরবর্তীতে জানা যায়, গত জানুয়ারি মাসে ওই আগ্নেয়াস্ত্রটি পাপ্পু আসলে কিনেছিলেন তাঁর স্ত্রী সোমার নামে, যা সরবরাহ করেছিল ধৃত জয়ের সংস্থা। শুধু অস্ত্রই নয়, ইডি-র দাবি সোনা পাপ্পুর স্ত্রীর নামে থাকা একটি ভুয়ো সংস্থার সাথে বেহালার ব্যবসায়ী জয়ের দেড় কোটি টাকারও বেশি রহস্যজনক আর্থিক লেনদেন হয়েছে। যদিও জয়ের দাবি, তিনি ব্যবসার স্বার্থে ওই দম্পতির থেকে ঋণ নিয়েছিলেন এবং পাপ্পুর স্ত্রী অস্ত্র ও টাকার বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে দায় এড়িয়েছেন। এই দেড় কোটির লেনদেন এবং খাকি উর্দির আড়ালে চলা অপরাধের আসল ব্লু-প্রিন্ট ধরতেই এবার সোমা পোদ্দার-সহ পরিবারের সবাইকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করতে মরিয়া ইডি।

বিষয় : KOLKATAPOLICE shantanusinghbiswas SonaPappuScam kolkatascam

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬


শান্তনুর সিন্ডিকেটে খাকি উর্দির যোগ? এবার ইডি-র নজরে কলকাতা পুলিশের ৩ অফিসার, তলব সোনা পাপ্পুর পরিবারকেও!

প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬

featured Image
কলকাতা: বালি বালি পাচার এবং কোটি কোটি টাকার তোলাবাজি কাণ্ডে ধৃত কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন ডিসি শান্তনু সিংহ বিশ্বাসের গ্রেপ্তারি এবার খোদ পুলিশ মহলেই তীব্র কম্পন তৈরি করল। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি-র আতশকাচের নিচে এবার চলে এলেন শান্তনু-ঘনিষ্ঠ কলকাতা পুলিশেরই একাধিক প্রভাবশালী অফিসার। সূত্রের খবর, প্রাক্তন ডিসি-র ডানহাত হিসেবে পরিচিত দক্ষিণ কলকাতায় কর্মরত এক সাব-ইনস্পেক্টর-সহ মোট তিন জন পুলিশ অফিসারকে ইতিমধ্যেই নোটিস পাঠিয়ে তলব করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। শুধু খাকি উর্দিধারীরাই নন, এই চক্রের শিকড় খুঁজতে কসবার কুখ্যাত ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পুর পরিবারের সদস্যদেরও চলতি সপ্তাহেই সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরার কড়া নির্দেশ দিয়েছে ইডি।দক্ষিণ কলকাতার বালিগঞ্জের বাসিন্দা সোনা পাপ্পুর বিরুদ্ধে জমি দখল, বেআইনি অস্ত্র এবং তোলাবাজির ভূরি ভূরি অভিযোগ ছিল, যার আর্থিক লেনদেনের সূত্র ধরেই তদন্তে নামে ইডি। এই মামলার তদন্তে নেমেই প্রথমে বেহালার ব্যবসায়ী জয় কামদারকে গ্রেপ্তার করেন আধিকারিকরা। জয়ের বয়ান সূত্র ধরেই গত এপ্রিলে কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি তথা প্রাক্তন ডিসি শান্তনু সিংহ বিশ্বাসের ফার্ন রোডের বিলাসবহুল বাড়িতে ম্যারাথন তল্লাশি চালায় ইডি। কয়েকবার হাজিরা এড়িয়ে লুক আউট সার্কুলার জারি হওয়ার পর অবশেষে শান্তনুকে গ্রেপ্তার করে কেন্দ্রীয় সংস্থা। তবে অধরা পাপ্পু গত মাসে আচমকাই স্ত্রীকে সাথে নিয়ে ইডি দফতরে আত্মসমর্পণ করতে গেলে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকেও হেফাজতে নেওয়া হয়। বর্তমানে শান্তনু, পাপ্পু এবং জয়—তিনজনই গরাদের ওপাড়ে দিন কাটাচ্ছেন।তদন্তকারীদের দাবি, কসবার ওই ডেরায় তল্লাশি চালানোর সময় সোনা পাপ্পুর বাড়ি থেকে একটি আধুনিক সেভেন এমএম পিস্তল উদ্ধার হয়েছিল। পরবর্তীতে জানা যায়, গত জানুয়ারি মাসে ওই আগ্নেয়াস্ত্রটি পাপ্পু আসলে কিনেছিলেন তাঁর স্ত্রী সোমার নামে, যা সরবরাহ করেছিল ধৃত জয়ের সংস্থা। শুধু অস্ত্রই নয়, ইডি-র দাবি সোনা পাপ্পুর স্ত্রীর নামে থাকা একটি ভুয়ো সংস্থার সাথে বেহালার ব্যবসায়ী জয়ের দেড় কোটি টাকারও বেশি রহস্যজনক আর্থিক লেনদেন হয়েছে। যদিও জয়ের দাবি, তিনি ব্যবসার স্বার্থে ওই দম্পতির থেকে ঋণ নিয়েছিলেন এবং পাপ্পুর স্ত্রী অস্ত্র ও টাকার বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে দায় এড়িয়েছেন। এই দেড় কোটির লেনদেন এবং খাকি উর্দির আড়ালে চলা অপরাধের আসল ব্লু-প্রিন্ট ধরতেই এবার সোমা পোদ্দার-সহ পরিবারের সবাইকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করতে মরিয়া ইডি।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার