Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

‘চিকিৎসক’ পরিচয় নিয়েই প্রশ্ন, শিশুমৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালকে সুপ্রিম কোর্টের কড়া বার্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৭ জুলাই ২০২৬
 ‘চিকিৎসক’ পরিচয় নিয়েই প্রশ্ন, শিশুমৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালকে সুপ্রিম কোর্টের কড়া বার্তা
ছবি সংগৃহীত

চার বছরের এক শিশুর ধর্ষণ ও মৃত্যুর ঘটনায় উত্তরপ্রদেশের দুই হাসপাতালের ভূমিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করল সুপ্রিম কোর্ট। আশঙ্কাজনক অবস্থায় শিশুটিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও সময়মতো চিকিৎসা না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও চিকিৎসকদের তীব্র ভর্ৎসনা করেছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত।


শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, “মেয়েটি গরিব ছিল বলেই কি আপনারা তাকে অবহেলা করেছেন?” আদালতের পর্যবেক্ষণ, একজন রোগীর জরুরি অবস্থায় পাশে দাঁড়ানোই চিকিৎসকদের প্রথম দায়িত্ব। সেই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে ‘চিকিৎসক’ পরিচয় নিয়েই প্রশ্ন ওঠে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদে। অভিযোগ, গত ১৬ মার্চ প্রতিবেশী এক ব্যক্তি চকোলেট দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে চার বছরের শিশুটিকে নিয়ে যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘক্ষণ খোঁজাখুঁজি করার পর বাড়ির কাছের একটি জায়গা থেকে তাকে অচেতন ও গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করেন। তড়িঘড়ি শিশুটিকে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরিবারের অভিযোগ, সেখানে চিকিৎসা শুরু করা হয়নি। এরপর অন্য একটি হাসপাতালেও একই অভিজ্ঞতার মুখে পড়তে হয় তাঁদের। পরে গাজিয়াবাদ জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।


পরিবারের অভিযোগ ছিল, যদি প্রথম থেকেই সঠিক চিকিৎসা পাওয়া যেত, তাহলে হয়তো শিশুটিকে বাঁচানো সম্ভব হত। এই অভিযোগের ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে তদন্তকারী দল বিষয়টি খতিয়ে দেখে। শুনানিতে আদালতের বেঞ্চ জানায়, কোনও হাসপাতালের পরিকাঠামো না থাকলেও রোগীকে ফিরিয়ে দেওয়া যায় না। প্রয়োজন হলে দ্রুত অন্য হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করতে হয়। কিন্তু এক্ষেত্রে সেই ন্যূনতম দায়িত্বও পালন করা হয়নি বলে মন্তব্য করে আদালত। প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের কড়া পর্যবেক্ষণ, “আপনাদের মধ্যে মানবিকতা থাকলে, শিশুটিকে অন্য হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করতেন।”

বিষয় : Supreme Court of India Uttarpradesh Physical Assault

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬


‘চিকিৎসক’ পরিচয় নিয়েই প্রশ্ন, শিশুমৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালকে সুপ্রিম কোর্টের কড়া বার্তা

প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুলাই ২০২৬

featured Image
চার বছরের এক শিশুর ধর্ষণ ও মৃত্যুর ঘটনায় উত্তরপ্রদেশের দুই হাসপাতালের ভূমিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করল সুপ্রিম কোর্ট। আশঙ্কাজনক অবস্থায় শিশুটিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও সময়মতো চিকিৎসা না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও চিকিৎসকদের তীব্র ভর্ৎসনা করেছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত।শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, “মেয়েটি গরিব ছিল বলেই কি আপনারা তাকে অবহেলা করেছেন?” আদালতের পর্যবেক্ষণ, একজন রোগীর জরুরি অবস্থায় পাশে দাঁড়ানোই চিকিৎসকদের প্রথম দায়িত্ব। সেই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে ‘চিকিৎসক’ পরিচয় নিয়েই প্রশ্ন ওঠে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদে। অভিযোগ, গত ১৬ মার্চ প্রতিবেশী এক ব্যক্তি চকোলেট দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে চার বছরের শিশুটিকে নিয়ে যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘক্ষণ খোঁজাখুঁজি করার পর বাড়ির কাছের একটি জায়গা থেকে তাকে অচেতন ও গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করেন। তড়িঘড়ি শিশুটিকে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরিবারের অভিযোগ, সেখানে চিকিৎসা শুরু করা হয়নি। এরপর অন্য একটি হাসপাতালেও একই অভিজ্ঞতার মুখে পড়তে হয় তাঁদের। পরে গাজিয়াবাদ জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।পরিবারের অভিযোগ ছিল, যদি প্রথম থেকেই সঠিক চিকিৎসা পাওয়া যেত, তাহলে হয়তো শিশুটিকে বাঁচানো সম্ভব হত। এই অভিযোগের ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে তদন্তকারী দল বিষয়টি খতিয়ে দেখে। শুনানিতে আদালতের বেঞ্চ জানায়, কোনও হাসপাতালের পরিকাঠামো না থাকলেও রোগীকে ফিরিয়ে দেওয়া যায় না। প্রয়োজন হলে দ্রুত অন্য হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করতে হয়। কিন্তু এক্ষেত্রে সেই ন্যূনতম দায়িত্বও পালন করা হয়নি বলে মন্তব্য করে আদালত। প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের কড়া পর্যবেক্ষণ, “আপনাদের মধ্যে মানবিকতা থাকলে, শিশুটিকে অন্য হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করতেন।”

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার