Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

‘আর ছাড় নয়!’ ৩১ অগস্টের মধ্যেই স্মার্ট মিটার বসানোর চরম ডেডলাইন, ৪৪ হাজার দফতরে কড়া নির্দেশ নবান্নের

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩০ আগস্ট ২০২৬
‘আর ছাড় নয়!’ ৩১ অগস্টের মধ্যেই স্মার্ট মিটার বসানোর চরম ডেডলাইন, ৪৪ হাজার দফতরে কড়া নির্দেশ নবান্নের
ফাইল চিত্র

কলকাতা: সাধারণ মানুষের বাড়িতে জোর করে স্মার্ট মিটার বসানো না হলেও রাজ্য সরকারের অধীনস্থ দফতরগুলিতে বিদ্যুৎ ব্যবহারে আসতে চলেছে আমূল বদল। বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ঘোষণার পর এবার সেপ্টেম্বর থেকেই রাজ্যের প্রায় ৪৪ হাজার সরকারি দফতরে চালু হতে চলেছে প্রিপেড স্মার্ট মিটার। পশ্চিমবঙ্গ বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থা (WBSEDCL)-এর লক্ষ্য, ৩১ অগস্টের মধ্যেই সমস্ত দফতরে এই নতুন প্রযুক্তি কার্যকর করে তোলা। ইতিমধ্যেই অধিকাংশ ক্ষেত্রে মিটার বসানোর কাজ শেষ হয়েছে এবং নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে পুলিশ-প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দফতরগুলির প্রধানদের স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রাজ্যের প্রায় ৯০ হাজার সরকারি দফতরের মধ্যে প্রথম দফায় ৫০ কিলোওয়াট পর্যন্ত অনুমোদিত লোড থাকা পোস্টপেড সংযোগগুলিকে এই প্রিপেড ব্যবস্থার আওতায় আনা হচ্ছে। পরবর্তী সময়ে ধাপে ধাপে রাজ্যের সমস্ত সরকারি অফিসে শতভাগ প্রিপেড মিটার চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। নতুন এই ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনতে প্রতিটি দফতরের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকের মোবাইল নম্বর বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার পোর্টালে নথিভুক্ত করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ওই নির্দিষ্ট নম্বরেই বকেয়া বিল ও রিচার্জ সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য এসএমএসের মাধ্যমে পৌঁছে যাবে।

প্রিপেড ব্যবস্থা চালুর পূর্বে প্রতিটি দফতরকে একটি চূড়ান্ত পোস্টপেড বিল পাঠানো হবে, যা বিল তৈরির ১০ দিনের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বকেয়া না মেটালে তা পরবর্তী সময়ে প্রিপেড ব্যালেন্সের সঙ্গে সমন্বয় করে নেওয়া হবে। বহু দফতরে এখনও আধিকারিকদের ফোন নম্বর নথিভুক্ত না হওয়ায় দ্রুত সেই প্রক্রিয়া শেষের নির্দেশ দিয়েছে নবান্ন। মূলত কেন্দ্রের ‘রিভ্যাম্পড ডিস্ট্রিবিউশন সেক্টর স্কিম’ (RDSS)-এর আওতায় আর্থিক দক্ষতা বৃদ্ধি ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থার আধুনিকীকরণের লক্ষ্যেই এই তৎপরতা শুরু হয়েছে গোটা রাজ্যে।


হিডেন স্টোরিজ নিউজ

বিষয় : BreakingNews BengalNews westbengalgovernment NABANNA SuvenduAdhikari HiddenStoriesNews smartmeter wbsedcl

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬


‘আর ছাড় নয়!’ ৩১ অগস্টের মধ্যেই স্মার্ট মিটার বসানোর চরম ডেডলাইন, ৪৪ হাজার দফতরে কড়া নির্দেশ নবান্নের

প্রকাশের তারিখ : ৩০ আগস্ট ২০২৬

featured Image
কলকাতা: সাধারণ মানুষের বাড়িতে জোর করে স্মার্ট মিটার বসানো না হলেও রাজ্য সরকারের অধীনস্থ দফতরগুলিতে বিদ্যুৎ ব্যবহারে আসতে চলেছে আমূল বদল। বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ঘোষণার পর এবার সেপ্টেম্বর থেকেই রাজ্যের প্রায় ৪৪ হাজার সরকারি দফতরে চালু হতে চলেছে প্রিপেড স্মার্ট মিটার। পশ্চিমবঙ্গ বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থা (WBSEDCL)-এর লক্ষ্য, ৩১ অগস্টের মধ্যেই সমস্ত দফতরে এই নতুন প্রযুক্তি কার্যকর করে তোলা। ইতিমধ্যেই অধিকাংশ ক্ষেত্রে মিটার বসানোর কাজ শেষ হয়েছে এবং নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে পুলিশ-প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দফতরগুলির প্রধানদের স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।রাজ্যের প্রায় ৯০ হাজার সরকারি দফতরের মধ্যে প্রথম দফায় ৫০ কিলোওয়াট পর্যন্ত অনুমোদিত লোড থাকা পোস্টপেড সংযোগগুলিকে এই প্রিপেড ব্যবস্থার আওতায় আনা হচ্ছে। পরবর্তী সময়ে ধাপে ধাপে রাজ্যের সমস্ত সরকারি অফিসে শতভাগ প্রিপেড মিটার চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। নতুন এই ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনতে প্রতিটি দফতরের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকের মোবাইল নম্বর বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার পোর্টালে নথিভুক্ত করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ওই নির্দিষ্ট নম্বরেই বকেয়া বিল ও রিচার্জ সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য এসএমএসের মাধ্যমে পৌঁছে যাবে।প্রিপেড ব্যবস্থা চালুর পূর্বে প্রতিটি দফতরকে একটি চূড়ান্ত পোস্টপেড বিল পাঠানো হবে, যা বিল তৈরির ১০ দিনের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বকেয়া না মেটালে তা পরবর্তী সময়ে প্রিপেড ব্যালেন্সের সঙ্গে সমন্বয় করে নেওয়া হবে। বহু দফতরে এখনও আধিকারিকদের ফোন নম্বর নথিভুক্ত না হওয়ায় দ্রুত সেই প্রক্রিয়া শেষের নির্দেশ দিয়েছে নবান্ন। মূলত কেন্দ্রের ‘রিভ্যাম্পড ডিস্ট্রিবিউশন সেক্টর স্কিম’ (RDSS)-এর আওতায় আর্থিক দক্ষতা বৃদ্ধি ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থার আধুনিকীকরণের লক্ষ্যেই এই তৎপরতা শুরু হয়েছে গোটা রাজ্যে।হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত