Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

ডিম ছোড়া-অফিস দখল বন্ধ করুন! বিধায়কদের কড়া ক্লাসে চরম বার্তা শুভেন্দু-শমীকের, জারি হলো কড়া ফতোয়া

ডিম ছোড়া-অফিস দখল বন্ধ করুন! বিধায়কদের কড়া ক্লাসে চরম বার্তা শুভেন্দু-শমীকের, জারি হলো কড়া ফতোয়া
ছবি সংগৃহীত

কলকাতা: ‘ডিম সংস্কৃতি’ আর নিচুতলায় পার্টি অফিস দখল নিয়ে এবার দলের অন্দরেই নজিরবিহীনভাবে কড়া মনোভাব নিল বিজেপি। দলের কোনো স্তরেই যে এই ধরনের উগ্র আচরণ বরদাস্ত করা হবে না, তা বিধায়কদের নিয়ে আয়োজিত এক হাইপ্রোফাইল বৈঠকে স্পষ্ট করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। 


কোনো রকম বিশৃঙ্খলা বা তোলাবাজির অভিযোগে না জড়িয়ে, রাজ্য সরকারের পেশ করা জনমুখী ও ঐতিহাসিক বাজেটকে কীভাবে ইতিবাচক উপায়ে মানুষের দুয়ারে পৌঁছে দেওয়া যায়, এখন থেকে সেটাই হবে দলের মূল লক্ষ্য। মঙ্গলবার ও বুধবার বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত দু'দিনের এই বিশেষ রুদ্ধদ্বার বৈঠকে শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, তৃণমূলের দীর্ঘদিনের অপশাসনের যোগ্য জবাব রয়েছে বিজেপির এই নতুন বাজেটে। তাই নেতিবাচক বিতর্কে কান না দিয়ে সরকারের সাফল্যের খতিয়ান আমজনতার সামনে তুলে ধরতে হবে।


দলের শীর্ষ নেতৃত্বের মতে, এবারের বাজেটে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য যে বিরাট ঘোষণা করা হয়েছে, তা মানুষের মধ্যে আরও বেশি করে প্রচার করা দরকার। বর্তমান ১৮ শতাংশ মহার্ঘভাতার ওপর আরও অতিরিক্ত ২০ শতাংশ ডিএ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে এই বাজেটে, যার ফলে মোট ভাতার হার দাঁড়াচ্ছে এক লাফে ৩৮ শতাংশ। আগামী ১ অক্টোবর থেকেই এই বর্ধিত ডিএ কার্যকর হতে চলেছে। এর পাশাপাশি রাজ্যে বেকারত্ব দূরীকরণে এক ধাক্কায় ১ লক্ষ নতুন কর্মসংস্থানের যে ঐতিহাসিক প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, তাকেই হাতিয়ার করতে চাইছে বিজেপি। দলের বিধায়কদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সরকার সাধারণ মানুষের কল্যাণে যে এত বড় এবং ভালো কাজ করছে, তার ইতিবাচক দিকগুলোই যেন নিবিড় জনসংযোগের মাধ্যমে ভোটারদের বোঝানো হয়।


এবারের বিশ্বকাপে লাল কার্ডের বন্যা আর আন্ডারডগদের গর্জন!


বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারের এই বিশেষ কর্মশালায় মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্য সভাপতি ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সুকান্ত মজুমদার, সুনীল বনসল, অমিত মালব্য এবং অমিতাভ চক্রবর্তীর মতো বিজেপির কেন্দ্রীয় ও রাজ্যের শীর্ষ নেতৃত্ব। এবারের বিধানসভায় বিজেপির সিংহভাগ বিধায়কই প্রথমবার নির্বাচিত হয়েছেন, যার ফলে সংসদীয় রাজনীতির আঙিনায় তাঁদের কাজের অভিজ্ঞতা অনেকটাই কম। 


সেই কারণেই বিধায়ক হিসেবে তাঁদের প্রকৃত কর্তব্য কী, দল ও সরকারের কাজের মধ্যে সীমারেখা ঠিক কতটুকু এবং সাংগঠনিক ক্ষেত্রে তাঁদের এক্তিয়ার কতখানি, তার পুঙ্খানুপুঙ্খ পাঠ দেওয়া হয় এই বৈঠকে। একই সঙ্গে দলের শৃঙ্খলা কঠোরভাবে বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি হুশিয়ারি দেওয়া হয়েছে, কোথাও যেন কোনো বিধায়ক বা নেতার বিরুদ্ধে তোলাবাজির বিন্দুমাত্র অভিযোগ না আসে।

বিষয় : BJPBengal suvendu adhikari ShamikBhattacharya bengalbudget2026

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬


ডিম ছোড়া-অফিস দখল বন্ধ করুন! বিধায়কদের কড়া ক্লাসে চরম বার্তা শুভেন্দু-শমীকের, জারি হলো কড়া ফতোয়া

প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুন ২০২৬

featured Image
কলকাতা: ‘ডিম সংস্কৃতি’ আর নিচুতলায় পার্টি অফিস দখল নিয়ে এবার দলের অন্দরেই নজিরবিহীনভাবে কড়া মনোভাব নিল বিজেপি। দলের কোনো স্তরেই যে এই ধরনের উগ্র আচরণ বরদাস্ত করা হবে না, তা বিধায়কদের নিয়ে আয়োজিত এক হাইপ্রোফাইল বৈঠকে স্পষ্ট করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। কোনো রকম বিশৃঙ্খলা বা তোলাবাজির অভিযোগে না জড়িয়ে, রাজ্য সরকারের পেশ করা জনমুখী ও ঐতিহাসিক বাজেটকে কীভাবে ইতিবাচক উপায়ে মানুষের দুয়ারে পৌঁছে দেওয়া যায়, এখন থেকে সেটাই হবে দলের মূল লক্ষ্য। মঙ্গলবার ও বুধবার বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত দু'দিনের এই বিশেষ রুদ্ধদ্বার বৈঠকে শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, তৃণমূলের দীর্ঘদিনের অপশাসনের যোগ্য জবাব রয়েছে বিজেপির এই নতুন বাজেটে। তাই নেতিবাচক বিতর্কে কান না দিয়ে সরকারের সাফল্যের খতিয়ান আমজনতার সামনে তুলে ধরতে হবে।দলের শীর্ষ নেতৃত্বের মতে, এবারের বাজেটে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য যে বিরাট ঘোষণা করা হয়েছে, তা মানুষের মধ্যে আরও বেশি করে প্রচার করা দরকার। বর্তমান ১৮ শতাংশ মহার্ঘভাতার ওপর আরও অতিরিক্ত ২০ শতাংশ ডিএ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে এই বাজেটে, যার ফলে মোট ভাতার হার দাঁড়াচ্ছে এক লাফে ৩৮ শতাংশ। আগামী ১ অক্টোবর থেকেই এই বর্ধিত ডিএ কার্যকর হতে চলেছে। এর পাশাপাশি রাজ্যে বেকারত্ব দূরীকরণে এক ধাক্কায় ১ লক্ষ নতুন কর্মসংস্থানের যে ঐতিহাসিক প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, তাকেই হাতিয়ার করতে চাইছে বিজেপি। দলের বিধায়কদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সরকার সাধারণ মানুষের কল্যাণে যে এত বড় এবং ভালো কাজ করছে, তার ইতিবাচক দিকগুলোই যেন নিবিড় জনসংযোগের মাধ্যমে ভোটারদের বোঝানো হয়।এবারের বিশ্বকাপে লাল কার্ডের বন্যা আর আন্ডারডগদের গর্জন!বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারের এই বিশেষ কর্মশালায় মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্য সভাপতি ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সুকান্ত মজুমদার, সুনীল বনসল, অমিত মালব্য এবং অমিতাভ চক্রবর্তীর মতো বিজেপির কেন্দ্রীয় ও রাজ্যের শীর্ষ নেতৃত্ব। এবারের বিধানসভায় বিজেপির সিংহভাগ বিধায়কই প্রথমবার নির্বাচিত হয়েছেন, যার ফলে সংসদীয় রাজনীতির আঙিনায় তাঁদের কাজের অভিজ্ঞতা অনেকটাই কম। সেই কারণেই বিধায়ক হিসেবে তাঁদের প্রকৃত কর্তব্য কী, দল ও সরকারের কাজের মধ্যে সীমারেখা ঠিক কতটুকু এবং সাংগঠনিক ক্ষেত্রে তাঁদের এক্তিয়ার কতখানি, তার পুঙ্খানুপুঙ্খ পাঠ দেওয়া হয় এই বৈঠকে। একই সঙ্গে দলের শৃঙ্খলা কঠোরভাবে বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি হুশিয়ারি দেওয়া হয়েছে, কোথাও যেন কোনো বিধায়ক বা নেতার বিরুদ্ধে তোলাবাজির বিন্দুমাত্র অভিযোগ না আসে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার