Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের গৃহবধূর

পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের গৃহবধূর
ছবি সংগৃহীত

ফের বিতর্কের কেন্দ্রে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী তথা বেহালা পশ্চিমের প্রাক্তন বিধায়ক পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এবার তাঁর বিরুদ্ধে তোলাবাজি, শ্লীলতাহানি, প্রাণনাশের হুমকি এবং ভয় দেখানোর মতো একাধিক গুরুতর অভিযোগ এনে থানার দ্বারস্থ হয়েছেন এক গৃহবধূ। একই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে ঠাকুরপুকুরের প্রাক্তন কাউন্সিলর ঘনশ্রী বাগ এবং তাঁর দুই সহযোগী তিলক ভট্টাচার্য ও সুদীপ ঘোষকে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।


পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযোগকারিণীর শ্বশুর স্থানীয় বিজেপি নেতা ছিলেন। অভিযোগ, ২০২০ সালের জানুয়ারিতে ঠাকুরপুকুরের বাছারপাড়া এলাকায় একটি রাজনৈতিক সংঘর্ষের পর তাঁর শ্বশুরকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়। পরিবারের দাবি, ঘটনার সময় তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিতই ছিলেন না। তবুও তাঁকে গ্রেপ্তার করে প্রথমে পুলিশ হেফাজত, পরে জেল হেফাজতে পাঠানো হয়। এরপরই পরিবারের উপর শুরু হয় নানা ধরনের চাপ, এমনটাই অভিযোগ। গৃহবধূর দাবি, তিনি ও তাঁর স্বামী প্রতিবাদ জানাতে গেলে তাঁদের ডেকে চুপ করে থাকার জন্য চাপ দেওয়া হয়। এমনকি পরিবারের ব্যবসাও প্রায় ছয় মাস বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে প্রায় ৪০ লক্ষ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলেও অভিযোগ।


অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, জেলবন্দি বিজেপি নেতাকে দ্রুত ছাড়িয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে পরিবারের কাছ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা নেওয়া হয়েছিল। পরে আরও এক কোটি টাকা দাবি করা হয়। সেই টাকা না দেওয়ায় অভিযুক্তরা লাগাতার ভয় দেখাতে শুরু করেন এবং প্রাণনাশের হুমকিও দেন বলে অভিযোগ। অভিযোগকারিণীর দাবি, এই সময় তাঁর সঙ্গে শ্লীলতাহানির ঘটনাও ঘটে। ২০২০ সালের জুলাই মাসে জেল হেফাজতেই মৃত্যু হয় ওই বিজেপি নেতার। পরিবারের অভিযোগ, মৃত্যুর পরও তাঁদের উপর চাপ, হুমকি ও হেনস্তা বন্ধ হয়নি। দীর্ঘদিন রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে তাঁরা অভিযোগ জানাতে পারেননি বলেই দাবি করেছেন গৃহবধূ। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি ঠাকুরপুকুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।যেহেতু ঘটনাগুলি ২০২০ সালের, তাই ভারতীয় দণ্ডবিধির (IPC) ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে। প্রয়োজনে অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হতে পারে।  

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬


পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের গৃহবধূর

প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুন ২০২৬

featured Image
ফের বিতর্কের কেন্দ্রে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী তথা বেহালা পশ্চিমের প্রাক্তন বিধায়ক পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এবার তাঁর বিরুদ্ধে তোলাবাজি, শ্লীলতাহানি, প্রাণনাশের হুমকি এবং ভয় দেখানোর মতো একাধিক গুরুতর অভিযোগ এনে থানার দ্বারস্থ হয়েছেন এক গৃহবধূ। একই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে ঠাকুরপুকুরের প্রাক্তন কাউন্সিলর ঘনশ্রী বাগ এবং তাঁর দুই সহযোগী তিলক ভট্টাচার্য ও সুদীপ ঘোষকে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযোগকারিণীর শ্বশুর স্থানীয় বিজেপি নেতা ছিলেন। অভিযোগ, ২০২০ সালের জানুয়ারিতে ঠাকুরপুকুরের বাছারপাড়া এলাকায় একটি রাজনৈতিক সংঘর্ষের পর তাঁর শ্বশুরকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়। পরিবারের দাবি, ঘটনার সময় তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিতই ছিলেন না। তবুও তাঁকে গ্রেপ্তার করে প্রথমে পুলিশ হেফাজত, পরে জেল হেফাজতে পাঠানো হয়। এরপরই পরিবারের উপর শুরু হয় নানা ধরনের চাপ, এমনটাই অভিযোগ। গৃহবধূর দাবি, তিনি ও তাঁর স্বামী প্রতিবাদ জানাতে গেলে তাঁদের ডেকে চুপ করে থাকার জন্য চাপ দেওয়া হয়। এমনকি পরিবারের ব্যবসাও প্রায় ছয় মাস বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে প্রায় ৪০ লক্ষ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলেও অভিযোগ।অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, জেলবন্দি বিজেপি নেতাকে দ্রুত ছাড়িয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে পরিবারের কাছ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা নেওয়া হয়েছিল। পরে আরও এক কোটি টাকা দাবি করা হয়। সেই টাকা না দেওয়ায় অভিযুক্তরা লাগাতার ভয় দেখাতে শুরু করেন এবং প্রাণনাশের হুমকিও দেন বলে অভিযোগ। অভিযোগকারিণীর দাবি, এই সময় তাঁর সঙ্গে শ্লীলতাহানির ঘটনাও ঘটে। ২০২০ সালের জুলাই মাসে জেল হেফাজতেই মৃত্যু হয় ওই বিজেপি নেতার। পরিবারের অভিযোগ, মৃত্যুর পরও তাঁদের উপর চাপ, হুমকি ও হেনস্তা বন্ধ হয়নি। দীর্ঘদিন রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে তাঁরা অভিযোগ জানাতে পারেননি বলেই দাবি করেছেন গৃহবধূ। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি ঠাকুরপুকুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।যেহেতু ঘটনাগুলি ২০২০ সালের, তাই ভারতীয় দণ্ডবিধির (IPC) ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে। প্রয়োজনে অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হতে পারে।  

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার