Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

বিয়ের শপিংয়ের নামে ১ কোটি! কেতনের টাকা নিয়েই প্রেমিকের সঙ্গে উদয়পুরে সিয়া, বাড়ছে রহস্য

বিয়ের শপিংয়ের নামে ১ কোটি! কেতনের টাকা নিয়েই প্রেমিকের সঙ্গে উদয়পুরে সিয়া, বাড়ছে রহস্য
ছবি সংগৃহীত

পুণে: বিয়ের কেনাকাটার অজুহাতে হবু স্বামীর থেকে ১ কোটি টাকা হাতিয়ে প্রেমিকের হাতে তুলে দেওয়া, তারপর ইন্টারনেটে সার্চ করে খুনের নীল নকশা তৈরি— পুণের লোহাগড় দুর্গের রোমহর্ষক হত্যাকাণ্ড এখন সিনেমাকেও হার মানাচ্ছে। হবু স্বামী কেতন বিশাল আগরওয়ালকে নির্মমভাবে খুনের অভিযোগে ইতিমধ্যেই শ্রীঘরে ঠাঁই হয়েছে সিয়া গোয়েল এবং তাঁর প্রেমিক চেতন চৌধুরীর। কিন্তু পুলিশি জেরায় তাঁদের মুখ থেকে একের পর এক যে বিস্ফোরক তথ্য বেরিয়ে আসছে, তাতে কার্যত চোখ কপালে উঠছে তদন্তকারীদের।


তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে, প্রেমিকের কেরিয়ার ও ব্যবসা গুছিয়ে দেওয়ার জন্য টাকার দরকার ছিল সিয়ার। সেই কারণেই বিয়ের শপিং করার নাম করে হবু স্বামী কেতনের থেকে ১ কোটি টাকা আদায় করেন তিনি। নিজে এক টাকাও না রেখে পুরো অঙ্কটাই তুলে দেন চেতনকে। ঘটনাচক্রে, কেতনের সঙ্গে বাগদানের ঠিক আগেই এই বিপুল টাকা পকেটে পুরে প্রেমিক চেতনের সঙ্গে উদয়পুরে জমিয়ে ছুটি কাটিয়ে এসেছিলেন সিয়া। জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে চেতনের আরও তিন বছর সময় লাগত, আর সেই সময়ের জন্য নিজেদের ভবিষ্যৎ একেবারে নিখুঁতভাবে ছকে ফেলেছিলেন এই যুগল।


তাঁদের পরিকল্পনা ছিল মারাত্মক। কেতনকে রাস্তা থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর আগামী তিন বছর তাঁরা বিয়ে করবেন না। সময়ের সাথে সাথে কেতনের মৃত্যুর রেশ কেটে গেলে ধীরে ধীরে সিয়ার পরিবারের বিশ্বাস ও ঘনিষ্ঠতা অর্জন করবেন চেতন, যাতে পরবর্তীতে পরিবার নিজেই তাঁদের বিয়েতে সম্মতি দেয়। এই দীর্ঘমেয়াদী ছক বাস্তবায়ন করতেই গত এক মাস ধরে ইন্টারনেটে সার্চ করে করে খুনের নিখুঁত ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করেছিলেন সিয়া। এমনকি ধরা পড়ার পরেও তাঁর অনুশোচনার লেশমাত্র নেই, উল্টে লক-আপে বসে ঠান্ডা বিয়ার খাওয়ার বায়না জুড়েছেন এই যুবতী।


তদন্তকারীদের সিয়া জানিয়েছেন, গত ফেব্রুয়ারিতে তাঁদের বাগদান হয়েছিল এবং আগামী নভেম্বরে বিয়ের দিন ঠিক হয়। সিয়ার দাবি, তিনি প্রথমে মত দিলেও পরে বিয়েতে রাজি ছিলেন না। কিন্তু পরিবারের প্রবল চাপের মুখে পড়ে বিয়ে ভাঙতে না পেরেই নাকি কেতনকে চিরতরে সরিয়ে দেওয়ার এই ভয়াবহ পথ বেছে নেন। অন্যদিকে, শোকে পাথর কেতনের বাবা বিশাল আগরওয়াল জানিয়েছেন, লোহাগড় দুর্গে যখন তাঁর ছেলেকে খুন করা হয়, তখন সেখানে অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু আতঙ্কে কেউ মুখ খুলছেন না। সত্য আড়াল না করে সেই প্রত্যক্ষদর্শীরা যেন অবিলম্বে সামনে আসেন, সংবাদমাধ্যমের কাছে হাতজোড় করে সেই আকুল আবেদন জানিয়েছেন ভাগ্যহত বাবা।

বিষয় : CrimeNews PUNEMURDERCASE betrayalstory' shockingtwist

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬


বিয়ের শপিংয়ের নামে ১ কোটি! কেতনের টাকা নিয়েই প্রেমিকের সঙ্গে উদয়পুরে সিয়া, বাড়ছে রহস্য

প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুন ২০২৬

featured Image
পুণে: বিয়ের কেনাকাটার অজুহাতে হবু স্বামীর থেকে ১ কোটি টাকা হাতিয়ে প্রেমিকের হাতে তুলে দেওয়া, তারপর ইন্টারনেটে সার্চ করে খুনের নীল নকশা তৈরি— পুণের লোহাগড় দুর্গের রোমহর্ষক হত্যাকাণ্ড এখন সিনেমাকেও হার মানাচ্ছে। হবু স্বামী কেতন বিশাল আগরওয়ালকে নির্মমভাবে খুনের অভিযোগে ইতিমধ্যেই শ্রীঘরে ঠাঁই হয়েছে সিয়া গোয়েল এবং তাঁর প্রেমিক চেতন চৌধুরীর। কিন্তু পুলিশি জেরায় তাঁদের মুখ থেকে একের পর এক যে বিস্ফোরক তথ্য বেরিয়ে আসছে, তাতে কার্যত চোখ কপালে উঠছে তদন্তকারীদের।তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে, প্রেমিকের কেরিয়ার ও ব্যবসা গুছিয়ে দেওয়ার জন্য টাকার দরকার ছিল সিয়ার। সেই কারণেই বিয়ের শপিং করার নাম করে হবু স্বামী কেতনের থেকে ১ কোটি টাকা আদায় করেন তিনি। নিজে এক টাকাও না রেখে পুরো অঙ্কটাই তুলে দেন চেতনকে। ঘটনাচক্রে, কেতনের সঙ্গে বাগদানের ঠিক আগেই এই বিপুল টাকা পকেটে পুরে প্রেমিক চেতনের সঙ্গে উদয়পুরে জমিয়ে ছুটি কাটিয়ে এসেছিলেন সিয়া। জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে চেতনের আরও তিন বছর সময় লাগত, আর সেই সময়ের জন্য নিজেদের ভবিষ্যৎ একেবারে নিখুঁতভাবে ছকে ফেলেছিলেন এই যুগল।তাঁদের পরিকল্পনা ছিল মারাত্মক। কেতনকে রাস্তা থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর আগামী তিন বছর তাঁরা বিয়ে করবেন না। সময়ের সাথে সাথে কেতনের মৃত্যুর রেশ কেটে গেলে ধীরে ধীরে সিয়ার পরিবারের বিশ্বাস ও ঘনিষ্ঠতা অর্জন করবেন চেতন, যাতে পরবর্তীতে পরিবার নিজেই তাঁদের বিয়েতে সম্মতি দেয়। এই দীর্ঘমেয়াদী ছক বাস্তবায়ন করতেই গত এক মাস ধরে ইন্টারনেটে সার্চ করে করে খুনের নিখুঁত ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করেছিলেন সিয়া। এমনকি ধরা পড়ার পরেও তাঁর অনুশোচনার লেশমাত্র নেই, উল্টে লক-আপে বসে ঠান্ডা বিয়ার খাওয়ার বায়না জুড়েছেন এই যুবতী।তদন্তকারীদের সিয়া জানিয়েছেন, গত ফেব্রুয়ারিতে তাঁদের বাগদান হয়েছিল এবং আগামী নভেম্বরে বিয়ের দিন ঠিক হয়। সিয়ার দাবি, তিনি প্রথমে মত দিলেও পরে বিয়েতে রাজি ছিলেন না। কিন্তু পরিবারের প্রবল চাপের মুখে পড়ে বিয়ে ভাঙতে না পেরেই নাকি কেতনকে চিরতরে সরিয়ে দেওয়ার এই ভয়াবহ পথ বেছে নেন। অন্যদিকে, শোকে পাথর কেতনের বাবা বিশাল আগরওয়াল জানিয়েছেন, লোহাগড় দুর্গে যখন তাঁর ছেলেকে খুন করা হয়, তখন সেখানে অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু আতঙ্কে কেউ মুখ খুলছেন না। সত্য আড়াল না করে সেই প্রত্যক্ষদর্শীরা যেন অবিলম্বে সামনে আসেন, সংবাদমাধ্যমের কাছে হাতজোড় করে সেই আকুল আবেদন জানিয়েছেন ভাগ্যহত বাবা।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার