Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

‘দিদি, আপনি আমাকে এই কথা বলতে পারলেন?’ এক ফোনেই সম্পর্কের ইতি, তৃণমূলের সব পদ ছাড়লেন চন্দ্রিমা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৪ জুলাই ২০২৬
 ‘দিদি, আপনি আমাকে এই কথা বলতে পারলেন?’ এক ফোনেই সম্পর্কের ইতি, তৃণমূলের সব পদ ছাড়লেন চন্দ্রিমা
ছবি--প্রতীকী

তৃণমূলের অন্দরের টানাপোড়েন আরও প্রকট হল। রাজ্য সভাপতি-সহ দলের সমস্ত সাংগঠনিক পদ থেকে ইস্তফা দিলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। শুধু সাংগঠনিক দায়িত্বই নয়, দলের অ্যাকাউন্টের সিগনেটরি হিসেবেও আর থাকছেন না তিনি। তাঁর এই সিদ্ধান্তে তৃণমূলের অন্দরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।


চন্দ্রিমার দাবি, মেট্রোপলিটনের অস্থায়ী দলীয় কার্যালয়কে ঘিরে সাম্প্রতিক বিতর্কের পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি মন্তব্যই তাঁকে এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে। তাঁর অভিযোগ, ফোনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে প্রশ্ন করেন, ‘তুমি ওদের হাতে ভবন তুলে দিলে?’ এই অভিযোগে তিনি গভীরভাবে আঘাত পান।


 চন্দ্রিমা জানান, দলের জন্মলগ্ন থেকে না থাকলেও দীর্ঘদিনের সৈনিক হিসেবে সংগঠনকে শক্তিশালী করার চেষ্টা করেছেন। সম্প্রতি তাঁকে রাজ্য সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল এবং সেই দায়িত্ব পালনে তিনি প্রতিদিনই মেট্রোপলিটনের অস্থায়ী দলীয় দপ্তরে যেতেন বলেও দাবি করেন। কিন্তু তাঁর আনুগত্য নিয়েই যখন প্রশ্ন উঠেছে, তখন আর সেই পদে থাকা তাঁর পক্ষে সম্ভব নয় বলেই সিদ্ধান্ত নেন।


তিনি বলেন, জীবনে অনেক কঠিন রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, অনেকের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থানও নিয়েছেন। কিন্তু দলের প্রতি তাঁর আনুগত্য নিয়ে কোনওদিন প্রশ্ন ওঠেনি। সেই কারণেই বেদনাহত মন নিয়ে সব দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পাশাপাশি কালীঘাটে আর না যাওয়ার কথাও স্পষ্ট জানিয়েছেন তিনি। উল্লেখ্য, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য দীর্ঘদিন ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহযোদ্ধা হিসেবে পরিচিত ছিলেন।


 মন্ত্রী থেকে সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব - দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন তিনি। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পালাবদলের পরও দলের বৈঠক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে তাঁকে সক্রিয় দেখা গিয়েছিল। তাই তাঁর এই পদত্যাগ তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ সমীকরণে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলেই রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত।

বিষয় : Mamata Banerjee WestBengalPolitics PoliticalCrisis kalighatpolice CHANDRIMABHATTACHARYA

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬


‘দিদি, আপনি আমাকে এই কথা বলতে পারলেন?’ এক ফোনেই সম্পর্কের ইতি, তৃণমূলের সব পদ ছাড়লেন চন্দ্রিমা

প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুলাই ২০২৬

featured Image
তৃণমূলের অন্দরের টানাপোড়েন আরও প্রকট হল। রাজ্য সভাপতি-সহ দলের সমস্ত সাংগঠনিক পদ থেকে ইস্তফা দিলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। শুধু সাংগঠনিক দায়িত্বই নয়, দলের অ্যাকাউন্টের সিগনেটরি হিসেবেও আর থাকছেন না তিনি। তাঁর এই সিদ্ধান্তে তৃণমূলের অন্দরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।চন্দ্রিমার দাবি, মেট্রোপলিটনের অস্থায়ী দলীয় কার্যালয়কে ঘিরে সাম্প্রতিক বিতর্কের পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি মন্তব্যই তাঁকে এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে। তাঁর অভিযোগ, ফোনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে প্রশ্ন করেন, ‘তুমি ওদের হাতে ভবন তুলে দিলে?’ এই অভিযোগে তিনি গভীরভাবে আঘাত পান। চন্দ্রিমা জানান, দলের জন্মলগ্ন থেকে না থাকলেও দীর্ঘদিনের সৈনিক হিসেবে সংগঠনকে শক্তিশালী করার চেষ্টা করেছেন। সম্প্রতি তাঁকে রাজ্য সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল এবং সেই দায়িত্ব পালনে তিনি প্রতিদিনই মেট্রোপলিটনের অস্থায়ী দলীয় দপ্তরে যেতেন বলেও দাবি করেন। কিন্তু তাঁর আনুগত্য নিয়েই যখন প্রশ্ন উঠেছে, তখন আর সেই পদে থাকা তাঁর পক্ষে সম্ভব নয় বলেই সিদ্ধান্ত নেন।তিনি বলেন, জীবনে অনেক কঠিন রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, অনেকের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থানও নিয়েছেন। কিন্তু দলের প্রতি তাঁর আনুগত্য নিয়ে কোনওদিন প্রশ্ন ওঠেনি। সেই কারণেই বেদনাহত মন নিয়ে সব দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পাশাপাশি কালীঘাটে আর না যাওয়ার কথাও স্পষ্ট জানিয়েছেন তিনি। উল্লেখ্য, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য দীর্ঘদিন ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহযোদ্ধা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। মন্ত্রী থেকে সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব - দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন তিনি। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পালাবদলের পরও দলের বৈঠক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে তাঁকে সক্রিয় দেখা গিয়েছিল। তাই তাঁর এই পদত্যাগ তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ সমীকরণে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলেই রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার