Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

১৩০০ কোটির রহস্য? মোবাইল চ্যাট ডিলিট করে কাকে আড়াল করছেন দেবরাজ, ফরেন্সিক তদন্তে সিট!

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৩ জুলাই ২০২৬
১৩০০ কোটির রহস্য? মোবাইল চ্যাট ডিলিট করে কাকে আড়াল করছেন দেবরাজ, ফরেন্সিক তদন্তে সিট!
ফাইল ছবি

কলকাতা: বাংলায় রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর রাজারহাট-গোপালপুর ও বাগুইআটি এলাকার একদা দাপুটে তৃণমূল নেতা দেবরাজ চক্রবর্তীর গ্রেফতারি নিয়ে নিত্যনতুন বিস্ফোরক তথ্য সামনে আসছে। তোলাবাজি, জমি দখল ও প্রোমোটারির সিন্ডিকেট সাম্রাজ্য চালানোর অভিযোগে বর্তমানে সাতদিনের পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন তিনি। বিধাননগর পুলিশ কমিশনারের নেতৃত্বে গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দল বা 'সিট' (SIT) দেবরাজের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে তাঁর মোবাইল ও ল্যাপটপ বাজেয়াপ্ত করেছে। তবে সবচেয়ে বড় চমকপ্রদ তথ্য হলো, গ্রেফতারির ঠিক আগেই দেবরাজের মোবাইল থেকে সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ চ্যাট ডিলিট করে দেওয়া হয়েছে। তদন্তকারীদের অনুমান, তোলাবাজির বিশাল নেটওয়ার্ক এবং এর নেপথ্যে থাকা কোনও প্রভাবশালীকে আড়াল করতেই পরিকল্পিতভাবে এই চ্যাট মুছে ফেলা হয়েছে, যা উদ্ধারে এবার ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের সাহায্য নেওয়া হচ্ছে।


তদন্তকারী আধিকারিকদের সূত্রে জানা গিয়েছে, দেবরাজের বাজেয়াপ্ত হওয়া ল্যাপটপ ঘেঁটে ‘ডিসি গ্লোবাল’ নামের একটি রহস্যময় সংস্থার হদিস মিলেছে। রাজারহাট রোডে দেবরাজ চক্রবর্তীর পৈতৃক বাড়ি থেকেই এই কোম্পানিটি পরিচালিত হতো। অভিযোগ, এই সংস্থার আড়ালেই তোলাবাজির কালো টাকা সাদা করা হতো এবং কোম্পানির নামে বিপুল পরিমাণ বেনামী সম্পত্তিও কেনা হয়েছিল। ল্যাপটপ থেকে পাওয়া তথ্য এবং ডিলিট হওয়া মোবাইল চ্যাটের যোগসূত্র মেলাতে পারলে দেবরাজের এই কয়েকশো কোটির তোলাবাজি সাম্রাজ্যের আসল হদিশ মিলবে বলে মনে করছেন সিটের গোয়েন্দারা। এই কোম্পানির আয়ের প্রকৃত উৎস ও ভিত্তি ঠিক কোথায়, তা জানতে আর্থিক লেনদেনের সমস্ত নথি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


দেবরাজ চক্রবর্তীর এই বিপুল আর্থিক কেলেঙ্কারি ও চ্যাট ডিলিটের ঘটনা প্রসঙ্গে তীব্র কটাক্ষ করেছেন বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার। তিনি সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বলেন, “দেবরাজের ১৩০০ কোটি টাকার দুর্নীতির কথা শুনছি। অথচ আমার নিজেরই ১৩ কোটি দেখার সুযোগ হয়নি। সাধারণ মানুষ হিসেবে গোটা বিষয়টা ভাবতেই আমার কষ্ট হচ্ছে। তৃণমূলের আমলে রাজনীতিকে এমন এক নোংরা পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, যেন মনে হতো রাজনীতি মানেই হলো স্রেফ পয়সা রোজগারের একমাত্র পথ।” সুকান্তের মতে, এই ফরেন্সিক ও সিট তদন্তের মাধ্যমেই স্পষ্ট হয়ে যাবে যে তৃণমূল জমানায় কীভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে লুঠ করা হয়েছে।

বিষয় : debrajchakraborty SukantaMajumdar bengalscam

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬


১৩০০ কোটির রহস্য? মোবাইল চ্যাট ডিলিট করে কাকে আড়াল করছেন দেবরাজ, ফরেন্সিক তদন্তে সিট!

প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুলাই ২০২৬

featured Image
কলকাতা: বাংলায় রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর রাজারহাট-গোপালপুর ও বাগুইআটি এলাকার একদা দাপুটে তৃণমূল নেতা দেবরাজ চক্রবর্তীর গ্রেফতারি নিয়ে নিত্যনতুন বিস্ফোরক তথ্য সামনে আসছে। তোলাবাজি, জমি দখল ও প্রোমোটারির সিন্ডিকেট সাম্রাজ্য চালানোর অভিযোগে বর্তমানে সাতদিনের পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন তিনি। বিধাননগর পুলিশ কমিশনারের নেতৃত্বে গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দল বা 'সিট' (SIT) দেবরাজের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে তাঁর মোবাইল ও ল্যাপটপ বাজেয়াপ্ত করেছে। তবে সবচেয়ে বড় চমকপ্রদ তথ্য হলো, গ্রেফতারির ঠিক আগেই দেবরাজের মোবাইল থেকে সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ চ্যাট ডিলিট করে দেওয়া হয়েছে। তদন্তকারীদের অনুমান, তোলাবাজির বিশাল নেটওয়ার্ক এবং এর নেপথ্যে থাকা কোনও প্রভাবশালীকে আড়াল করতেই পরিকল্পিতভাবে এই চ্যাট মুছে ফেলা হয়েছে, যা উদ্ধারে এবার ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের সাহায্য নেওয়া হচ্ছে।তদন্তকারী আধিকারিকদের সূত্রে জানা গিয়েছে, দেবরাজের বাজেয়াপ্ত হওয়া ল্যাপটপ ঘেঁটে ‘ডিসি গ্লোবাল’ নামের একটি রহস্যময় সংস্থার হদিস মিলেছে। রাজারহাট রোডে দেবরাজ চক্রবর্তীর পৈতৃক বাড়ি থেকেই এই কোম্পানিটি পরিচালিত হতো। অভিযোগ, এই সংস্থার আড়ালেই তোলাবাজির কালো টাকা সাদা করা হতো এবং কোম্পানির নামে বিপুল পরিমাণ বেনামী সম্পত্তিও কেনা হয়েছিল। ল্যাপটপ থেকে পাওয়া তথ্য এবং ডিলিট হওয়া মোবাইল চ্যাটের যোগসূত্র মেলাতে পারলে দেবরাজের এই কয়েকশো কোটির তোলাবাজি সাম্রাজ্যের আসল হদিশ মিলবে বলে মনে করছেন সিটের গোয়েন্দারা। এই কোম্পানির আয়ের প্রকৃত উৎস ও ভিত্তি ঠিক কোথায়, তা জানতে আর্থিক লেনদেনের সমস্ত নথি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।দেবরাজ চক্রবর্তীর এই বিপুল আর্থিক কেলেঙ্কারি ও চ্যাট ডিলিটের ঘটনা প্রসঙ্গে তীব্র কটাক্ষ করেছেন বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার। তিনি সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বলেন, “দেবরাজের ১৩০০ কোটি টাকার দুর্নীতির কথা শুনছি। অথচ আমার নিজেরই ১৩ কোটি দেখার সুযোগ হয়নি। সাধারণ মানুষ হিসেবে গোটা বিষয়টা ভাবতেই আমার কষ্ট হচ্ছে। তৃণমূলের আমলে রাজনীতিকে এমন এক নোংরা পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, যেন মনে হতো রাজনীতি মানেই হলো স্রেফ পয়সা রোজগারের একমাত্র পথ।” সুকান্তের মতে, এই ফরেন্সিক ও সিট তদন্তের মাধ্যমেই স্পষ্ট হয়ে যাবে যে তৃণমূল জমানায় কীভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে লুঠ করা হয়েছে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার