Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

Durga Puja 2026: পুজোর আগে চাই ঝকঝকে ত্বক? হিরের গুঁড়ো দিয়ে ফেশিয়াল করানোর আগে জানুন খুঁটিনাটি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Durga Puja 2026: পুজোর আগে চাই ঝকঝকে ত্বক? হিরের গুঁড়ো দিয়ে ফেশিয়াল করানোর আগে জানুন খুঁটিনাটি
মুখে এবার হিরের দ্যুতি

পুজোর কটাদিন ত্বক যদি খুব ফেকাসে লাগে তাহলে পুরো সাজটাই মাটি হয়ে যায়। তাই শুধুমাত্র মেকআপের উপর ভরসা না করে, ত্বকের জেল্লা ফিরিয়ে আনতে এখন থেকেই ত্বকের চর্চা শুরু করুন। অনেকেই পুজোর আগে পার্লারে গিয়ে ফেশিয়াল করে থাকেন। গোল্ড ফেসিয়ালের নাম আমরা কম বেশি শুনেছি। কিন্তু এবারের পুজোর আগে নতুন কিছু ট্রাই করে দেখতে পারেন। ফ্রুট ফেশিয়াল বা সাধারণ ক্লিনআপের পাশাপাশি এখন সৌন্দর্যচর্চায় বেশ পরিচিত ‘ডায়মন্ড ফেশিয়াল’। 


সাধারণভাবে ডায়মন্ড ফেশিয়াল দু’ভাবে করা হয়ে থাকে। এক ধরনের পদ্ধতিতে ডায়মন্ড ডাস্ট-সমৃদ্ধ ফেসপ্যাক বা ফেসমাস্ক ব্যবহার করা হয়। অন্যদিকে রয়েছে ডায়মন্ড মাইক্রোডার্মাব্রেশন, যেখানে ডায়মন্ড-টিপযুক্ত যন্ত্রের সাহায্যে ত্বকের উপরিভাগের মৃত কোষ সরানো হয়। ফেশিয়ালের প্রথমে ত্বক পরিষ্কার করা হয়। এরপর আসে স্ক্রাবিং বা এক্সফোলিয়েশনের ধাপ। কিছু ক্ষেত্রে সাকশন পদ্ধতিও ব্যবহার করা হয়।


এর পর ত্বকে স্টিম দেওয়া হয়। এতে রোমকূপ কিছুটা নরম হয়। নাক বা থুতনির মতো জায়গায় থাকা ব্ল্যাকহেড ও হোয়াইটহেড পরিষ্কার করা সহজ হয়। পরের ধাপে থাকে মাসাজ। ডায়মন্ড ফেশিয়ালের জন্য ব্যবহৃত নির্দিষ্ট জেল বা ক্রিম দিয়ে মুখ এবং ঘাড়ে কিছুক্ষণ মাসাজ করা হয়। সবশেষে ডায়মন্ড ফেসমাস্ক বা পিল-অফ মাস্ক ব্যবহার করা হয়। সাধারণত কিছুক্ষণ রেখে মাস্কটি তুলে ফেলার পরসিরাম, ময়েশ্চারাইজার লাগানো হয়। খরচের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনও দাম নেই। সাধারণত প্রতি সেশনে প্রায় ১,০০০ থেকে ৫,০০০ টাকা বা তার বেশি খরচ হতে পারে। 

বিষয় : Skin Care Tips Durga Puja 2026

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬


Durga Puja 2026: পুজোর আগে চাই ঝকঝকে ত্বক? হিরের গুঁড়ো দিয়ে ফেশিয়াল করানোর আগে জানুন খুঁটিনাটি

প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
পুজোর কটাদিন ত্বক যদি খুব ফেকাসে লাগে তাহলে পুরো সাজটাই মাটি হয়ে যায়। তাই শুধুমাত্র মেকআপের উপর ভরসা না করে, ত্বকের জেল্লা ফিরিয়ে আনতে এখন থেকেই ত্বকের চর্চা শুরু করুন। অনেকেই পুজোর আগে পার্লারে গিয়ে ফেশিয়াল করে থাকেন। গোল্ড ফেসিয়ালের নাম আমরা কম বেশি শুনেছি। কিন্তু এবারের পুজোর আগে নতুন কিছু ট্রাই করে দেখতে পারেন। ফ্রুট ফেশিয়াল বা সাধারণ ক্লিনআপের পাশাপাশি এখন সৌন্দর্যচর্চায় বেশ পরিচিত ‘ডায়মন্ড ফেশিয়াল’। সাধারণভাবে ডায়মন্ড ফেশিয়াল দু’ভাবে করা হয়ে থাকে। এক ধরনের পদ্ধতিতে ডায়মন্ড ডাস্ট-সমৃদ্ধ ফেসপ্যাক বা ফেসমাস্ক ব্যবহার করা হয়। অন্যদিকে রয়েছে ডায়মন্ড মাইক্রোডার্মাব্রেশন, যেখানে ডায়মন্ড-টিপযুক্ত যন্ত্রের সাহায্যে ত্বকের উপরিভাগের মৃত কোষ সরানো হয়। ফেশিয়ালের প্রথমে ত্বক পরিষ্কার করা হয়। এরপর আসে স্ক্রাবিং বা এক্সফোলিয়েশনের ধাপ। কিছু ক্ষেত্রে সাকশন পদ্ধতিও ব্যবহার করা হয়।এর পর ত্বকে স্টিম দেওয়া হয়। এতে রোমকূপ কিছুটা নরম হয়। নাক বা থুতনির মতো জায়গায় থাকা ব্ল্যাকহেড ও হোয়াইটহেড পরিষ্কার করা সহজ হয়। পরের ধাপে থাকে মাসাজ। ডায়মন্ড ফেশিয়ালের জন্য ব্যবহৃত নির্দিষ্ট জেল বা ক্রিম দিয়ে মুখ এবং ঘাড়ে কিছুক্ষণ মাসাজ করা হয়। সবশেষে ডায়মন্ড ফেসমাস্ক বা পিল-অফ মাস্ক ব্যবহার করা হয়। সাধারণত কিছুক্ষণ রেখে মাস্কটি তুলে ফেলার পরসিরাম, ময়েশ্চারাইজার লাগানো হয়। খরচের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনও দাম নেই। সাধারণত প্রতি সেশনে প্রায় ১,০০০ থেকে ৫,০০০ টাকা বা তার বেশি খরচ হতে পারে। 

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত