দীর্ঘ সংঘাতের পর অবশেষে আমেরিকার মধ্যস্থতায় সংঘর্ষবিরতির চুক্তিতে সই করল ইজরায়েল ও লেবানন। চুক্তি অনুযায়ী, লেবাননের ভূখণ্ড থেকে ধাপে ধাপে সেনা সরিয়ে নেবে ইজরায়েল। এরপর সেই এলাকার নিরাপত্তার দায়িত্ব নেবে লেবাননের সেনাবাহিনী। তবে চুক্তি হলেও মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি ফিরবে কি না, তা নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে।
শুক্রবার ওয়াশিংটনে চুক্তিতে সই করেন লেবাননের রাষ্ট্রদূত নাদা মোয়াদ এবং ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত ইয়েচিয়েল লেইটার। চুক্তির পর মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও বলেন, “এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচনা। তবে এখনও অনেক কাজ বাকি।” চুক্তির সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে উঠেছে হেজবোল্লা। সংগঠনটি স্পষ্ট জানিয়েছে, তারা এই চুক্তির বাস্তবায়নে কোনও সহযোগিতা করবে না। পাশাপাশি আমেরিকার সমর্থনে লেবানন সরকার এগোলে গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে তারা। দীর্ঘদিন ধরেই ইজরায়েল-লেবাননের সরাসরি আলোচনার বিরোধিতা করে আসছে হেজবোল্লা।
ফোনেই অভিযোগ, দ্রুত সমাধানের আশ্বাস
প্রসঙ্গত, গত ফেব্রুয়ারিতে আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ অভিযানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত হওয়ার পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরমে ওঠে। এরপর লেবানন সীমান্তে সংঘর্ষ তীব্র হয় এবং ইজরায়েলি সেনা লেবাননে অভিযান চালায়। সেই সংঘাতে চার হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যুর খবর সামনে আসে। নতুন এই চুক্তি পরিস্থিতিকে কতটা স্বাভাবিক করতে পারে, এখন সেদিকেই নজর আন্তর্জাতিক মহলের।

শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুন ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন